বাবার হাত ধরে প্রথম ক্রিকেটে পা রাখেন তিন্নি। শেষের দিকে এসে ক্রিকেট কোচের তালিকায় নাম লেখান তিনি। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ না পেলেও ইচ্ছে ছিলো তার কোচিংয়ের হাত ধরে উঠে আসুক কোনো ক্রিকেটার। মেয়েদের ক্রিকেট এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্নে নিজেকে কোচ হিসেবে প্রস্তুত করছিলো তিন্নি।

কিন্তু সেই স্বপ্ন আর বাস্তবে রুপ দিতে পারলেননা । চলে গেলেন না ফেরার দেশে। শনিবার সন্ধ্যায় শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে তিনি মারা যান (ইন্নানিল্লাহি…. রাজিউন)।

২৮ জুলাই ফুটফুটে মেয়ে সন্তানের মা হয়েছিলেন তিন্নি। আর দুদিন পরেই মেয়েকে একা রেখেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। জন্মেই নিষ্ঠুর বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় হলো তিন্নির নবজাতকের।

তিন্নি যশোর জেলা নারী ক্রিকেটার এবং ঢাকা ফাস্ট ডিভিশনে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র এবং প্রিমিয়ারে বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি’র একজন খেলোয়াড় ছিলেন।