কোভিড সার্টিফিকেট পজিটিভ হওয়ায় সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানের মেয়ে ঐশী খানকে লন্ডন যেতে দেয়নি ইমিগ্রেশন পুলিশ। দেশ ছাড়ার আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের অনলাইনে চেকিংয়ে তার রিপোর্ট পজিটিভ ধরা পড়ে।

তবে শাজাহান খান দাবি করেছেন মহাখালীর ডিএনসিসির বুথে করোনা পরীক্ষার পর তার মেয়েকে শনিবার (২৫ জুলাই) যে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে সেটি নেগেটিভ ছিল। রোববার দুপুর ১২টার ফ্লাইটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-০০১ ফ্লাইটে ঐশী খানের লন্ডন যাওয়ারে কথা ছিল। এজন্য সকালে তিনি বিমানবন্দরে যান।

নিয়ম অনুযায়ী কোভিড রিপোর্টের একটি কপি ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে উপস্থাপন করতে হয়। শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান জানিয়েছেন, রিপোর্টে সমস্যার কারণে ঐশী খান যেতে পারেননি বলে শুনেছি। আরও পড়ুন: গাজীপুরে নকল স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী কারখানা সিলগালা

এ বিষয়ে শাহজাহান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঐশী লন্ডনে পড়ে। ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসার পর মার্চ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেলে আর যেতে পারেনি। তিনি বলেন, কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করায় লন্ডন যেতে পরশু ডিএনসিসিতে নমুনা দেয়ার পর

শনিবার বিকাল ৪টায় যে রিপোর্টে দেয়া হয়েছিল সেটি নেগেটিভ ছিল। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আমার ভাগিনা রিপোর্টটি নিয়ে আসার পর আমরা জানলাম, ঐশী করোনা নেগেটিভ। আজ যাত্রার আগে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের চেকিংয়ে অনলাইনে রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। এতে শুধু হয়রানি নয়,

আমার ও আমার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ করবেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর পুনরায় রিপোর্টের জন্য পাঠালে আজকে আবার আবার পজিটিভ রিপোর্ট দিয়েছে। তিনি বলেন, এর আগে ডা. এমডি বায়েজিদ বিন মনির স্বাক্ষরিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব

ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টারের প্রদত্ত রিপোর্টে আমার মেয়ের করোনা নেগেটিভ ছিল। দুই রিপোর্টে পৃথক ফল আসায় হয়রানি ও মানহানির জন্য তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দুটি রিপোর্টের কপি তিনি সময় টেলিভিশনের কাছে পাঠান। যার একটিতে ফলাফল পজিটিভ ও অপরটিতে নেগেটিভ দেয়া হয়েছে। তবে নেগেটিভ রিপোর্টটিতে স্বাক্ষর ও ল্যাবের নাম থাকলেও পজিটিভ রিপোর্টটিতে ছিল না।