পোষ্টটি তাদের জন্য যারা অধিক সময় ধরে মি’লন করতে পারেন না। অধিক সময় দরে যৌ’ন মি’লন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধিতর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। মি’লনে পু’রুষের অধিক সময় নেওয়া পু’রুষত্বের মূল যোগ্যতা হিসেবে গন্য হয়। যেকোন পু’রুষ বয়সের সাথে সাথে স’হবা’সের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে। এখানে বলে রাখতে চাই-২৫ বছেরের কম বয়সী পু’রুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে স’হবা’স করতে পারেনা।

তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উ’ত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এরপর বয়স যত বাড়বে স’হবা’সে পু’রুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানেও বাড়তে থাকে।

তাছাড় একা না’রী কিংবা এক পু’রুষের সাথে বারবার স’হবা’স করলে যৌ’ন মি’লনে অধিক সময় দেখা যায় এবং স’হবা’সে বেশি তৃ’প্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত স’হবা’সে একে অপরের শ’রীর এবং ভালো লাগা/মন্দ লাগা, পছন্সই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সর্ম্পকে ভালোভাবে অবহিত থাকে। স’হবা’সে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমূহ নিয়ে আজকের আলোচনা। পদ্ধতিতে আসা যাক।

পদ্ধতি১: চে’পে/টি’পে(স্কুইজ)ধরা: অধিক সময় ধরে যৌ’ন মি’লন করার এই পদ্ধতিটি আবি’ষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি।

চে’পে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে ধরত হয়? যখন কোন পু’রুষ মনে করেন তার বী’র্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার স’ঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে বী’র্য বহি:র্গামী হয় সে শিরা কয়েক সেকেন্ডের জন্য চে’পে ধরবেন। চা’প ছেড়ে দেয়ার পর ৩০-৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন।

এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌ’ন কার্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পু’রুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।

স্কুইজ পদ্ধতি এক মি’লনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকাশীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

পদ্ধতি২: সংকোচন(টেনসিং) অধিক সময় ধরে পোন মি’লন করার এ পদ্ধতি সর্ম্পকে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই আমা’রা প্রসাব করার সময় প্রসাব পুরুপোরি নিঃস্বরনেপোষ্টটি তাদের জন্য যারা অধিক সময় ধরে মি’লন করতে পারেন না। অধিক সময় দরে যৌ’ন মি’লন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধিতর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।

মি’লনে পু’রুষের অধিক সময় নেওয়া পু’রুষত্বের মূল যোগ্যতা হিসেবে গন্য হয়। যেকোন পু’রুষ বয়সের সাথে সাথে স’হবা’সের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে। এখানে বলে রাখতে চাই-২৫ বছেরের কম বয়সী পু’রুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে স’হবা’স করতে পারেনা।

তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উ’ত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এরপর বয়স যত বাড়বে স’হবা’সে পু’রুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানেও বাড়তে থাকে।

তাছাড় একা না’রী কিংবা এক পু’রুষের সাথে বারবার স’হবা’স করলে যৌ’ন মি’লনে অধিক সময় দেখা যায় এবং স’হবা’সে বেশি তৃ’প্তি পাওয়া যায়।

কারন স্বরূপ: নিয়মিত স’হবা’সে একে অপরের শ’রীর এবং ভালো লাগা/মন্দ লাগা, পছন্সই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সর্ম্পকে ভালোভাবে অবহিত থাকে। স’হবা’সে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমূহ নিয়ে আজকের আলোচনা। পদ্ধতিতে আসা যাক।

পদ্ধতি১: চে’পে/টি’পে(স্কুইজ)ধরা: অধিক সময় ধরে যৌ’ন মি’লন করার এই পদ্ধতিটি আবি’ষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি।

চে’পে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে ধরত হয়? যখন কোন পু’রুষ মনে করেন তার বী’র্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার স’ঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে বী’র্য বহি:র্গামী হয় সে শিরা কয়েক সেকেন্ডের জন্য চে’পে ধরবেন।