ভারত-চীনের উত্তেজনার মধ্যে লাদাখ সীমান্তে উড়ল একের পর এক চীনের যুদ্ধবিমান ও মিলিটারি হেলিকপ্টার। এর পরিপ্রেক্ষিতে লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। প্রায় ২ মাস হতে চলল, এখনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ভারতের নিজের সীমানায় একের পর এক যুদ্ধবিমান উড়াচ্ছে ভারতীয় সেনারা।

কিন্তু তাতে কী ভয় পাবে চীন? একের পর এক যুদ্ধবিমান উড়ছে চীন সীমান্তের আকাশেও। উড়ছে মিগ, সুখোই। অ্যাপাচে হেলিকপ্টারও উড়তে দেখা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের পাশেই বিমানঘাঁটি থেকেই মাঝে মধ্যেই উড়ে যাচ্ছে সুখোই-৩০এমকেআই, মিগ-২৯এসের মতো যুদ্ধবিমান।

সামরিক ভূমিকা পালনে নিজেদের আরও তৈরি করে নিচ্ছে বিমান বাহিনীর সেনারা। গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকেই লাদাখ এবং সংলগ্ন এলাকায় বেড়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারের আনাগোনা। চীনের সীমান্ত সংলগ্ন সেই বিমান ঘাঁটিতেও বেড়েছে তৎপরতা। বাড়ানো হচ্ছে সামরিক প্রস্তুতি।

সে জন্য বায়ুঘাঁটি থেকে প্রায়শই মার্কিন সি-১৭ ও সি-১৩০জে এবং রাশিয়ান ইলুশিন-৭৬ ও অ্যান্তোনোভ-৩২-র মতো বিমান উড়ে যাচ্ছে। পূর্ব লাদাখ সেক্টরে সামরিক প্রস্তুতির জন্য আমেরিকান অ্যাপাচে হেলিকপ্টার ঘোরাঘুরি করছে। অপর এক মার্কিন হেলিকপ্টার চিনুকেরও আনাগোনা বেড়েছে।

এছাড়াও পুরোদমে ব্যবহার করা হচ্ছে রাশিয়ান এমআই-১৭ ভি৫ কপ্টারও। এদিকে, শনিবারই প্রকাশ্যে দেখা গেছে, একের পর এক যুদ্ধবিমান উড়ছে চীন সীমান্তের আকাশে। উড়ছে মিগ, সুখোই। অ্যাপাচে হেলিকপ্টারও উড়তে দেখা গিয়েছে। এদিন ভারতীয় বায়ুসেনার এক স্কোয়াড্রন লিডার জানান, ভারত জুড়ে সব বায়ুসেনার সদস্যরা প্রস্তুতি নিয়েছে।

যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ট্রেনিং নিয়েছে বায়ুসেনা সদস্যরা। ওই এবার ফোর্স অফিসার জানিয়েছেন, ‘আমাদের জোশ সবসময় হাই।’ অন্যদিকে, লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়াল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী।

পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোরস। ইতিমধ্যেই বিএসএফের জম্মু ফ্রন্টিয়ারের আইজি এনএস জামওয়াল এবং ডিজিপি দিলবাগ সিং সোমবার সাম্বা জেলার সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ এবং বিএসএফের আরও উচ্চপদস্থ কর্তারা।