রাজশাহীর একজন সংসদ সদস্যের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন এক নারী। রাজশাহী নগরের তেরোখাদিয়া এলাকার লিজা আয়েশা নামের ফেসবুক পেজে ওই নারী একজন এমপির সঙ্গে তোলা ২৪/২৫টি ছবিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ তুলেও ওই নারী ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ওই ফেসবুক প্রোফাইল ও কাভারে এমপির সঙ্গে তোলা ছবি ব্যবহার করেছেন ওই নারী। এ নিয়ে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

শনিবার বিকেল ৩টার দিকে লিজা আয়েশা নামের ওই নারী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘একজন সংসদ সদস্য অনেক বড় অবস্থানের মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে চাইলেই কেউ মিথ্যা অপবাদ দিতে পারে না আমার কথা গুলো যদি মিথ্যা হইতো তাহলে এতক্ষণে পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে যেতো। আমি যা কিছু বলছি এবং বলবো সব সত্যিই আপনারা আমাকে বিরক্ত না করে ধৈর্য্য ধরে পাশে থাকুন। সবার সব প্রশ্নের উত্তর ইনবক্সে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না আমি এই খানে লিখে দিবো এবং লাইভ ভিডিও দিবো আপনারা দেখলেই সব বুঝতে পারবেন এবং জানতে পারবেন।’

এর একঘন্টা আগে ওই নারী আরেকটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন যেটি তিনি ১৮ ঘন্টা আগে দিয়েছিলেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘এমপি সাহেবের রক্ষিতা বা প্রেমিকা নই দ্বিতীয় বউ আমি।’ আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘এমপি সাহেব আমার স্বামী এই কথাটা যদি কারো কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয় তাঁরা বিয়ের কাগজ দেখতে পারেন।’ আরেক স্ট্যাটাসে লিজা লিখেছেন, ‘আনেকেই মেরে ফেরার হুমকি দিচ্ছেন। ফেসবুকে তাদের উদ্দেশে বলতেসি মৃত্যুর ভয়ে সত্যি আড়াল করবো না। আট বছর সংসার করেছি। আজ ছবি দিয়েছি।’

বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে লিজা আয়শা বলেন, ‘তার পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতেই বিয়ে হয়েছিল। ২০১৮ সালের ১১ মে আমাদের বিয়ে হয়। প্রথমে আট বছর আগে আমাদের বিয়ে হয় মৌখিকভাবে। তার বাগমারার বাড়িতে। কিন্তু লিখিত বিয়ের পর গত দুই বছর ধরে তিনি আমাকে গোপনে স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে আসছেন। এখন তিনি একটি ভুয়া কাগজ করে আমাকে তালাক দিয়েছেন। সেখানে আমার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এ কারণে আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি ফেসবুকে এসব কথা বলেছি। আমি আমার সংসার করতে চাই আমার স্বামীর সঙ্গে।’