করোনা ভাইরাসে টালমাটাল বাংলাদেশের মানুষের জনজীবন। কেউ শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারছে না। এদিকে রেকর্ড হারে বাড়ছে দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে আসছে ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাতবার্ষিকী। তাই অন্যান্য বছরের মতো এবার কোনো সমাবেশ বা বড় পরিসরে অনুষ্ঠান থাকছে না। আজ বুধবার (২৭ মে) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ৩০ মে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের অন্যান্য দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। একইদিনে সকাল ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শুধু স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ পুস্পস্তবক অর্পণ করবেন। তিনি বলেন, বিকেল সাড়ে তিনটায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্চুয়াল আলোচনা হবে। যেখানে দেশের বরেণ্য ব্যক্তি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য বক্তব্য রাখবেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে শহীদ জিয়ার অবদান শীর্ষক মোট ১২টি টপিকস নিয়ে ১০ জুন পর্যন্ত আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তাছাড়া প্রতিবছর ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রান্না করা খাবার বিতরণ করতেন। তবে এবার তৈরি খাবার নয় খাদ্যের উপাদান, কাপড় বা নগদ অর্থ সহায়তা করতে পারবেন। কোনোমতেই কোনো জমায়েত বা সমাবেশ করা যাবে না। এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ জিয়া বাঙালি জাতিকে একটি বাংলাদেশী জাতি হিসেবে পরিচিতি দিয়েছেন। তিনি অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর হৃদয়ে অবস্থান করে নিয়েছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠিত ও সমৃদ্ধশালী হয়েছে। বাংলাদেশের এমন কোনো খাত নেই যেখানে শহীদ জিয়ার হাতের স্পর্শ নেই। তিনি সবক্ষেত্রে উন্নতি সাধন করতে পেরেছিলেন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। এরপর শহীদ জিয়ার বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব।