শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০২:০৬ অপরাহ্ন

দেশের প্রতিটি স্তরের মানুষ প্রণোদনা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৯ পড়েছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, নভেল করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রতিটি স্তরের মানুষ প্রণোদনা পাবে। বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান গ্রহণকালে তিনি একথা বলেন।

এই প্রণোদনা শুধু এখনকার জন্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের এখনকার যেই সমস্যা সেটা সমাধান করা, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থাৎ আগামী তিন অর্থবছর মেয়াদি যে পরিকল্পনা, আমরা সেটাই নিচ্ছি। যাতে প্রত্যেকেই করোনাভাইরাসের এই দুঃসময়টা পার করে যেন মানুষ আবার ব্যবসা-বাণিজ্য বা কার্যক্রম ভালোভাবে চালাতে পারেন সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই আমরা তিন বছর মেয়াদি এই প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনীতির চাকা যাতে সচল থাকে সেজন্য ইতোমধ্যে আমরা প্রণোদনা ঘোষণা দিয়েছি, সেটা সর্বস্তরের মানুষ পাবে। শিল্প কলকারখানা ও ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সচল থাকতে পারে সেই ব্যবস্থাও নিয়েছি। আমরা আমাদের জিডিপির ৩.৩ শতাংশ এই বিশেষ প্রণোদনা খাতে এবার ব্যয় করব, সেই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।

রেশন কার্ডে ৫০ লাখ মানুষের ১০ টাকা কেজি দরে চাল সংগ্রহের যে তালিকা সরকারের কাছে রয়েছে, তার পাশাপাশি যারা তালিকার বাইরে আছেন তাদের জন্যও কার্ড তৈরির উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা রাত্রের বেলা প্রতিটা বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিচ্ছি, যাতে করে কেউ ভিড় না করে, একসাথে জমা না হয়। করোনাভাইরাসটায় কেউ যাতে সংক্রমিত না হয় সেদিকে লক্ষ রেখে এই পদক্ষেপ নিচ্ছি।”

বিচ্ছিন্নভাবে জনসমাগম করে ত্রাণ বিতরণ না করে প্রশাসনের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে ত্রাণ বিতরণ করারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

দরিদ্র মানুষের জন্য পাঠানো এই ত্রাণ বিতরণে কোনো অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন এবং সেটা আমরা কার্যকর করে যাচ্ছি। চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিটি সদস্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।সমস্ত বাংলাদেশে আমাদের যে নেতা-কর্মী তাদেরকেও আমরা নির্দেশ দিয়েছি। তারাও মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। সরকারিভাবে যা দেওয়া হচ্ছে পাশাপাশি যে যতটুকু পারছেন সাহায্য করে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এটাই চাই, আজকের যে দুঃসময় সেই দুঃসময়টা কাটিয়ে উঠতে পারব। বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবেই ইনশাল্লাহ আমরা গড়ে তুলব।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ