মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ১১২ জন, মৃত্যু ১ জনের

Reporter Name
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৩ পড়েছেন

দেশে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১২ জন। এ নিয়ে করোনায় মোট ২১ জনের মৃত্যু ও ৩৩০ জন আক্রান্ত হলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১ হাজার ৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১১২ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩০ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে নতুন করে মারা গেছেন আরও একজন। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে আইসোলেশন বেড সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি) ২ হাজার বেড, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি মার্কেটে ১ হাজার ৪০০ বেড ও উত্তরার দিয়াবাড়িতে চারটি ভবনে ১ হাজার ২০০ বেডের আইসোলেশন ইউনিটসহ আরও মোট ৫ হাজার ৬০০ বেডের আইসোলেশন ইউনিট যুক্ত হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর এতে যুক্ত হন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

এরপর যুক্ত হয়ে ফ্লোরা জানান, মোট আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৭০ এবং বাকি ৪২ জন মহিলা। এছাড়া আক্রান্ত ৬২ জন ঢাকার এবং ১৩ জন নারায়ণগঞ্জের। বাকিরা বিভিন্ন জেলার।

 

প্রসঙ্গত, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানীর যেসব জায়গায় রোগী শনাক্ত হচ্ছে, সেখানে সীমিত পরিসরে ভবন বা গলি লকডাউন (অবরুদ্ধ) করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত ৫৪টি জায়গায় এ ধরনের লকডাউন করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে গত ৮ মার্চ। তখন শনাক্ত হয়েছিল তিনজন রোগী। এক মাসের মাথায় সেটা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। কোনো দেশে সংক্রমণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে সেটাকে সংক্রমণের চতুর্থ স্তর ধরা হয়। বাংলাদেশ এখন সেই স্তরে রয়েছে।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ