বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মৃত্যুমিছিল চলছে। আক্রান্তের সংখ্যা যেমন হু হু করে বাড়ছে, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। শনিবার (২৯ মার্চ) রাত ১১টা পর্যন্ত বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজার ২শত ২৯ জন দাঁড়িয়েছে।

মহামারি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৬ লাখের বেশি মানুষ। আক্রান্তের দিক দিয়ে সবার উপরের স্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের। এক ইতালিতেই ১০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। স্পেনে সেই সংখ্যাটা ৫ হাজারের বেশি।

ইউরোপের প্রায় সব দেশ লকডাউন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেকের বেশি মানুষ ঘরবন্দী। এরকম লকডাউন চলছে এশিয়া ও আফ্রিকাসহ অন্যানা মহাদেশেও।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আর স্বাস্থ্যমন্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের উত্তরাধিকার প্রিন্স চার্লসও।

অবস্থা খুবই মারাত্মক। কোনো ভৌগলিক সীমানা মানছে না এই ভাইরাস। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইরান, স্পেনসহ আরও অসংখ্য দেশের অর্ধশতাধিক প্রথম সারির নেতা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। খোদ যুক্তরাষ্ট্র হাসপাতালের ডেব, মাস্ক আর ভেন্টিলেটর সংকটে পড়েছে। জাহাজকে হাসপাতাল বানিয়ে আজ নিউইয়র্কে পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। দেশটিতে সবচেয়ে বাজে অবস্থা জনবহুল নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে এশিয়াকে সতর্ক করে দিয়েছে। ইরানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৯সহ সেখানে মৃত্যু হয়েছে আড়াই সহস্রাধিক মানুষের। প্রতিদিন আরও হাজার হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্টসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। দেশটির অনেক আইনপ্রণেতা করোনায় আক্রান্ত। এরমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীও রয়েছেন।