রোনালদোর পর এবার নিজ বাড়িতে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। শুধু মেসি একা নন, পুরো বার্সেলোনা স্কোয়াডই এখন কোয়ারেন্টাইনে আছে।

ইউরোপ এখন বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের প্রধান উপকেন্দ্র। এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ইউরোপের সব ক্রীড়া টুর্নামেন্ট। এই তালিকায় আছে স্প্যানিশ লা লিগা ও দেশটির অন্যান্য ফুটবল আসরও।

শুধু তাই না, পুরো স্পেনেই এখন জরুরি অবস্থা চলছে।

এর আগে করোনাভাইরাস আতঙ্কে পর্তুগালে অবস্থিত নিজ বাড়িতে স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনে থাকার সিদ্ধান্ত নেন রোনালদো। পর্তুগালের মাদেইরায় আটলান্টিক মহাসাগরের পারে অবস্থিত তার বিলাসবহুল বাড়িতেও অনুশীলনের সব ব্যবস্থা আছে।

প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৪৩৬ জনে। ১৩২টি দেশে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৮১০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭২ হাজার ৫৩০ জন।

শনিবার (১৪ মার্চ) পরিসংখ্যান ভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ডোমিটারস এ তথ্য জানায়।

 

ওয়েবসাইটে জানানো হয়, বর্তমানে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ৬৭ হাজার ৮৪৪ জন মানুষ চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে ৬ হাজার ৮২ জনের অবস্থা সঙ্কাটাপন্ন আর ৬১ হাজার ৬০১ জনের অবস্থা স্থিতিশীল।

চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে এলেও ইউরোপে এটি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাসে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে ইতালি। এখন পর্যন্ত ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ২৬৬ জনের।

এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৫০ জনের, যা ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একদিনের হিসাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর। এছাড়া দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৬০ জন মানুষ।

ইরানেও করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। সেখানে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫১৪ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৬৪ জন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ জনে। এ ছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার ৮৬ জনে পৌঁছেছে।